NarayanganjToday

শিরোনাম

ধীরে ধীরে সচল হতে শুরু করেছে নারায়ণগঞ্জ!


ধীরে ধীরে সচল হতে শুরু করেছে নারায়ণগঞ্জ!

নারায়ণগঞ্জে করোনাভাইরাসের ভীতি কাটিয়ে ধীরে ধীরে সচল হতে শুরু করেছে অনেক কিছুই। মানুষও বের হচ্ছে পূর্বের তুলনা অনেক। ফুটপাতেও দেখা মিলছে হকররা পসরা সাজি বসছেন। বিভিন্ন সড়কে আগের তুলনায় যানবাহন ও মানুষের চলাচল বেড়েছে অনেক। রাস্তাঘাটে চলাফেরার ব্যাপারে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের কড়াকড়ি না থাকায় অনেকেই সাহস করে ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন।

তবে সব শ্রেণি ও পেশার মানুষের মধ্যেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার (মুখে মাস্ক, হাতে গ্লাভস এবং কিছু সংখ্যক মানুষের শরীরে পিপিই) অভ্যাস দেখা গেছে।

রোববার (৩ মে) নারায়ণগঞ্জ শহর ও শহরতলীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, গত কয়েক দিনের তুলনায় আজ শহরের প্রধান সড়কসহ বিভিন্ন স্থানে লোকজনের যাতায়াত ও যানবাহন চলাচল অনেক বেড়েছে। গণপরিবহন চলাচল শুরু না হলেও রাস্তাঘাটে প্রাইভেটকার, পিকআপ ভ্যান, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল করতে দেখা গেছে।

শহরের দিগুবাবুর ও কালিরবাজারে ক্রেতাদের বেশ ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। কয়েকদিন আগেও রাস্তাঘাটে সুনসান নীরবতা বিরাজ করলেও এখন আর সে অবস্থা নেই। রমজান উপলক্ষে রাস্তাঘাটে ভাসমান ফলমূল ও শাক-সবজি বিক্রেতাদের ভিড় বেড়েছে। ধীরে ধীরে পাড়া-মহল্লার দোকানপাটও খুলতে শুরু করেছে।

শহরের বঙ্গবন্ধু সড়কের ফুটপাতে কিছু কিছু হকার নিজের দোকান সাজিয়ে বসেছেন। তাদের সাথে কথা বললে তারা জানান, করোনার ভয়ে গত এক মাসেরও বেশি সময় দোকান বন্ধ রেখেছেন। এ সময় আয়-রোজগার বন্ধ থাকায় জমানো টাকা খরচ করে সংসার চালিয়েছেন। মনে মনে আতঙ্ক থাকলেও আয়-রোজগারের আশায় দোকান খুলে বসেছেন এবার। তবে তিনি মুখে মাস্ক ও হাতে গ্লাভস পরে বেচাকেনা করছেন বলে জানান।

চাষাড়ার মোড়ে ফুটপাতের এক ফল বিক্রেতা জানান, গত কিছু দিন ঘরে বসা ছিলেন। কয়েকবার ফুটপাতে ফল বিক্রির চেষ্টা করলেও পুলিশ তাড়িয়ে দেয়। সংসারের খরচ চালাতে দুই তিন দিন আগের থেকে ফুটপাতে ফল বিক্রি করছেন তিনি। বেচাকেনাও মোটামুটি ভালো। করোনাভাইরাসের ভয় আছে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, করোনার ভয় পেলে বউ পোলাপানরা না খাইয়া মরবো।

৩ মে, ২০২০/এসপি/এনটি

উপরে