NarayanganjToday

শিরোনাম

নারায়ণগঞ্জে হঠাৎ যে কারণে বেড়ে যাচ্ছে আক্রান্ত


নারায়ণগঞ্জে হঠাৎ যে কারণে বেড়ে যাচ্ছে আক্রান্ত

নারায়ণগঞ্জে হঠাৎ করেই বেড়ে যাচ্ছে আক্রান্তের সংখ্যা! এ নিয়ে অনেকেই উদ্বেগ জানিয়েছে। বিষয়টাকে অনেকেই ভয়াবহ বলেও মন্তব্য করছেন। ফলে, সামনের দিন নিয়ে শঙ্কিত হয়ে উঠেছেন অনেকেই। একইসঙ্গে প্রশ্ন উঠেছে, হঠাৎ করে জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা কেন বেড়ে যাচ্ছে?

সাধারণ মানুষের প্রশ্ন আর উদ্বেগকে সামনে রেখে এ প্রসঙ্গে খোঁজ খবর নিতে গিয়ে জানা গেছে, জেলা থেকে নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয় ঢাকা। এই রিপোর্ট জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের হাতে আসতে সর্বোচ্চ ২ দিন কখনো কখনো এক দিনেই রিপোর্ট পাওয়া যায়। কিন্তু গত কয়েকদিনের রিপোর্ট নিয়মিত আসছিল না জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের হাতে। যার মধ্যে একদিন জেলাতে কোনো আক্রান্তের তথ্য দিতে পারেনি স্বাস্থ্য বিভাগ।

অন্যদিকে কদিন ধরে নারায়ণগঞ্জ থেকে পরীক্ষার জন্য পাঠানো নমুনার কিছু কিছু রিপোর্ট আসলেও শতভাগ আসেনি। ফলে, পূর্ণাঙ্গ আক্রান্তের তথ্যও জানা সম্ভব হয়নি জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষে। বলা চলে, ল্যাবে রিপোর্ট জটের কারণে জেলা থেকে প্রেরিত নমুনার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট আটকে ছিল ঢাকাতে। এর হিসেবটা প্রায় পাঁচ শতাধিকেরও বেশি ছিল।

নারায়ণগঞ্জ সিভিল সার্জন ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, আইইডিসিআরে পেন্ডিং থাকা গত ২১, ২২, ২৩ ও ২৪ তারিখের আংশিক রিপোর্ট এসেছে। যে কারণে আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণ দেখাচ্ছে। ২৫, ২৬, ২৭ এপ্রিল  যেসব নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয়েছে তার রিপোর্টও এখন আসেনি। 

তিনি আরও বলেন, নারায়ণগঞ্জ সিভিল সার্জন অফিসের কন্ট্রোল রুমে যেসব রোগী করোনার উপসর্গ নিয়ে আমাদের কাছে এসএমএস করছে আমরা তাদের নমুনা সংগ্রহ করছি।

এদিকে রিপোর্ট নিয়মিত পূর্ণাঙ্গ না আসার কারণে তিন চারদিনের রিপোর্টও এক হয়ে আসতে শুরু করেছে। যার কারণে আক্রান্তের সংখ্যা হঠাৎ করেই বেড়ে দ্বিগুণ দেখাচ্ছে। দেখা যাচ্ছে, এদিন যাদের পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে তাদের অনেকের নমুনাই ২১ বা ২৩ তালিখে ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল। আবার এখানে ২৬ তালিখে প্রেরণ করা নমুনার রিপোর্টও আছে। ফলে কয়েকদিনের জমানো রিপোর্ট আসতে থাকাই আক্রান্তের সংখ্যাটা অত্যাধিক দেখাচ্ছে। যা জমা থাকা রিপোর্টগুলো পূর্ণাঙ্গ এসে গেলে পরবর্তী দিনে আক্রান্তের সংখ্যাতেও সমতা চলে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।

২৮ এপ্রিল, ২০২০/এসপি/এনটি

উপরে