NarayanganjToday

শিরোনাম

না.গঞ্জ সদরে চাল নিয়ে চলছে চালবাজি, অসহায় মানুষ


না.গঞ্জ সদরে চাল নিয়ে চলছে চালবাজি, অসহায় মানুষ

নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা অন্তর্ভূক্ত চালের বাজার। এখনও এ উপজেলায় চাল বিক্রি হচ্ছে গত সপ্তাহের তুলনায় বস্তা (৫০ কেজি) প্রতি ৩ থেকে ৪শ টাকা অতিরিক্ত দামে। এই দাম বৃদ্ধির ক্ষেত্রে খুচরা দোকানিরা দায় চাপাচ্ছেন মোকাম মালিকদের উপর আর মোকাম মালিকেরা দায় দিচ্ছেন মিল মালিকদের।

এদিকে সদর উপজেলা থেকে করোনার এই সঙ্কটকালিন সময়ে দু একদিন অভিযান চালালেও কার্যত চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে আসেনি। কাঁচাবাজার কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও চালের বাজার এখনও অনিয়ন্ত্রিত। এতে করে ভোক্তারা পড়েছেন বিপাকে। বাধ্য হয়ে তাদেরকে অতিরিক্ত দামে চাল কিনতে হচ্ছে।

চাষাড়ার এক খুচরা চাল বিক্রেতা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জানান, সপ্তাহ আগে আমরা যে চাল বস্তা (৫০ কেজি) প্রতি বিক্রি করেছি ২৩ থেকে ২৪শ টাকা সে বস্তা এখন বিক্রি করছি ২৭ থেকে ২৮শ টাকায়। এখানে আমাদের কোনো হাত নেই। আগে নিতাইগঞ্জ থেকে বস্তা কেনা পড়তো ২২শ ৪০ থেকে ৫০ টাকা এখন সেই বস্তাই কিনে আনতে হচ্ছে ২৬শ ৫০ থেকে ৭০ টাকা করে। তার উপর আবার পরিবহন চার্জ রয়েছে।

তবে, নিতাইগঞ্জের আড়তদাররা বলছেন, চালের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। অতিরিক্ত দামে বিক্রি হচ্ছে না। মিল মালিকদের থেকে চাল আনতে বেশি টাকা লাগছে। সে দিক বিবেচনা করেই আমরা বিক্রি করছি। এখানে আমারা সঙ্কট সৃষ্টি করছি না।

এদিকে ১৯ মার্চ নিতাইগঞ্জের চালের আড়তে অভিযান চালিয়েছিল নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসন। উপজেলার ইউএনও নাহিদা বারিক ওই অভিযান চালিয়ে সাতটি চালের আড়তদারকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। ওই বাজার কমিটির সভাপতি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল কাদির। তাকেও ইউএনও সতর্ক করে দিয়ে আসছিলেন। কিন্তু তাতেও কাজ হচ্ছে না।

ভোক্তারা বলছেন, ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালালে কী হবে, চালের দাম যদি সরকারের পক্ষ থেকে নির্ধারণ করে দেওয়া না হয় তবে, অসাধু ব্যবসায়ীরা দাম বাড়াবেই। এরা সুযোগেই থাকে দাম বাড়ানোর। সুযোগ পেলেই মানুষকে জিম্মি করে দাম বাড়িয়ে দেয়। তাছাড়া প্রশাসনের জোর তৎপরতা না থাকাতে এরা সুযোগ পাচ্ছে বেশি। এ সমস্যা উত্তরণের জন্য প্রশাসনের ভ্রাম্যমান অভিযান নিয়মিত প্রয়োজন।

২২ মার্চ, ২০২০/এসপি/এনটি

উপরে