NarayanganjToday

শিরোনাম

গণমাধ্যমকর্মীদের অভিযোগ, ফোন ধরেন না সদর ইউএনও!


গণমাধ্যমকর্মীদের অভিযোগ, ফোন ধরেন না সদর ইউএনও!

সরকারি কর্মকর্তা বিশেষে করে যারা দায়িত্বশীল রয়েছেন তাদেরকে গণমাধ্যমকর্মীরা ফোন করবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তথ্য নিশ্চিত হতে। অথচ অনেক সময় গণমাধ্যমকর্মীরা বিড়ম্বনার মধ্যে পড়েন যখন কোনো দায়িত্বশীলকে একাধিকবার ফোন করেও পায় না। এমনই অভিযোগ উঠেছে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাহিদা বারিকের বিরুদ্ধে।

নারায়ণগঞ্জের বেশ কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী দাবি করেছেন, কখনই সদর ইউএনও’কে ফোন করে তারা পান না। তিনি নির্দিষ্ট কারো কারো নম্বর ছাড়া অন্য কারো ফোন ধরেন না!

তবে, এ বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাহিদা বারিক। তার দাবি এসব মনগড়া কথা। তিনি বলেন, সারাদিনই ফোন বাজে। সারাদিনই ধরি। কাজও করি। এখন ফোন ধরব নাকি কাজ করবো? তারপরও ফোন ধরি।

এদিকে নারায়ণগঞ্জের স্থানীয় দৈনিক যুগের চিন্তা পত্রিকায় কর্মরত সাংবাদিক ফরিদ আহম্মেদ বাঁধন শনিবার (২১ মার্চ) তার ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্ট করে প্রথমে অভিযোগ তুলে লিখেছেন, ‘না.গঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাকে ফোন করে একদিনও তাঁকে আমি মোবাইলে পাইনি ! তিনি নাম্বার না চিনলে মনে হয় কারো ফোন ধরেন না।’

ফরিদ আহম্মেদের ওই পোস্টে একমত পোষণ করে জাতীয় দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের জেলা প্রতিনিধি নোমান চৌধুরী সুমন লিখেছেন, ‘উনি পরিচিত কিছু সাংবাদিকের ফোন ধরেন যাদের সাথে উনার সম্পর্ক ভালো। আমি অনেকদিন বহুবার ট্রাই করেছি পাইনি।’

একই রকম অভিযোগ করেছেন ইংরেজি জাতীয় দৈনিক দ্য নিউ নেশন’র জেলা প্রতিনিধি ও স্থানীয় দৈনিক শীতলক্ষ্যায় কর্মরত সিনিয়র সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম জীবনও। তিনি ওই পোস্টে মন্তব্য করে লিখেছেন, ‘একদম ঠিক। আমিও পাইনি!’

এদিকে ১৯ মার্চ একটি প্রতিবেদনে সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাহিদা বারিকের বক্তব্যের অতি জরুরী থাকায় নারায়ণগঞ্জ টুডে থেকে একাধিকবার তাকে ফোন করা হলেও তিনি সেটি রিসিভ করেননি। এমনকী তার মুঠোফোনে বিষয়টি জানিয়ে ক্ষুদেবার্তা পাঠিয়ে ঘণ্টাখানিক অপেক্ষা করে পুনরায় ফোন করলেও তিনি সেটি রিসিভ করেননি।

২১ মার্চ, ২০২০/এসপি/এনটি

উপরে