NarayanganjToday

শিরোনাম

যেভাবে র‌্যাবের খাঁচায় আটক হল ক্লু-লেস মামলার দুই হন্তারক


যেভাবে র‌্যাবের খাঁচায় আটক হল ক্লু-লেস মামলার দুই হন্তারক

আড়াইহাজার উপজেলার মো. জামান (৪৫) নামে এক অটো চালকের লোমহর্ষক ক্লু-লেস হত্যার রহস্য উদঘাটনসহ এর সঙ্গে জড়িত দুইজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১১ এর একটি দল।

প্রায় আড়াই মাস ছায়া তদন্তের পর ১৩ জুন দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে উপজেলার নাগেরচর এলাকায় অভিযান চালিয়ে হত্যার মূল হোতা মো. সাইফুল ইসলামকে (৩২) এবং একই দিন রাত সাড়ে ১১ টার দিকে তার সহযোগি বাদশা (৩২) উপজেলার বাগদি বাজার থেকে আটক করা হয়।

গত ২৯ মার্চ নিখোঁজ হয়েছিলেন জামান। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই জাকির হোসেন সংশ্লিষ্ট থানায় একটি জিডি করেন। ৩১ মার্চ উপজেলার মাওরাদী এলাকায় হাত-পা বাঁধা ও দুই চোখ উপড়ানো অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জাকির হোসেন অজ্ঞাত আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন আড়াইহাজার থানায়।

র‌্যাব-১১ এর অধিনায়ক লে. কর্ণেল ইমরান উল্লাহ সরকার স্বাক্ষরিত এক বার্তায় এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বার্তায় জানানো হয়, ওই হত্যাকাণ্ডের পর থেকে র‌্যাব জড়িতদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা কার্যক্রম শুরু করে। নজরদারির আড়াই মাস পর হত্যার রহস্য উদঘাটনসহ এর সঙ্গে জড়িত মূল হোতাসহ দুজনকে আটক করা হয়েছে।

র‌্যাবের এই কর্মকর্তা আটকদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির বরাত দিয়ে জানান, অটো রিকশা নিয়ে হন্তারকদের সঙ্গে বিরোধ ছিল নিহত জামানের। ঘটনার এক মাস পূর্বে পাওনা টাকার জন্য জামানের ছোট ভাই জাকির হোসেন সাইফুলকে রাস্তায় অদস্ত করেছিল। এর জের ধরেই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করে সাইফুল। তার সাথে যুক্ত করেন আক্তার ও বাদশাহ’কে।

র‌্যাব জানায়, পরিকল্পনা অনুযায়ে ঘটনার দিন জামানকে সঙ্গে নিয়ে তারা বাজারে যায় এবং একটি গামছা কিনে। পরে তারা নগেরচর এলাকার একটি দোকানে বসে চাও খেয়েছিল। পরে তারা চৌরাস্তা ব্রিজের কাছে যায়। সেখানে জামানকে সাইফুল, বাদশাহ ও আক্তার মিলে হত্যা করে পাশের কলাবাগানে ফেলে রেখে যে যার মত চলে যায়।

১৪ জুন, ২০২০/এসপি/এনটি

উপরে