NarayanganjToday

শিরোনাম

শহরে কমছে না জনসমাগম, প্রশাসনের কঠোরতা জরুরী


শহরে কমছে না জনসমাগম, প্রশাসনের কঠোরতা জরুরী

নারায়ণগঞ্জ শহরে জনসমাগম কিছুতেই রোধ করা যাচ্ছে না। সরকারি সংস্থা থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন থেকে জনসমাগমরোধে সতর্কতা করে প্রচারণা চালালেও তা আমলে নিচ্ছে না কেউই। ফলে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকিটি এই শহরে রয়েই যাচ্ছে।

তবে, প্রশাসনের কড়াকড়ি পদক্ষেপ না হলে এই জনসমাগমরোধ করা সহজ হবে না বলে মনে করছেন সচেতন মহল। যদিও করোনা সংক্রমণরোধ ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করণের লক্ষ্যে স্থানীয় প্রাশাসনের সহযোগিতা করতে নারায়ণগঞ্জে সেনাবাহিনী এসেছে। তবে, সশস্ত্র বাহিনীর টহল শুরু হলে এবং জনসমাগম রোধে কড়াকড়ি আরোপ করলে একমাত্র তখনই জনসমাগম রোধ করা সম্ভব হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

এদিকে বুধবার (২৫ মার্চ) শহরের বেশ কয়েকটি এলাকা ঘুরে জন এবং যান চলাচল স্বাভাবিক চিত্র দেখা গেছে। মোড়ে মোড়ে মানুষের জটলাও চোখে পড়ে। যদিও জনসমাগম রোধকল্পে ইতোমধ্যে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান বন্ধের ঘোষণা করা হয়েছে ইতোপূর্বে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটিসহ মার্কেট বিপনী বিতান বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বন্ধ করা হয়েছে ট্রেন চলাচল ও লঞ্চ। ২৬ মার্চ থেকে সকল ধরণের গণপরিবহন বন্ধ রাখার নির্দেশনাও এসেছে। এছাড়াও ব্যাঙ্কের সময় সূচিও পরিবর্তন করা হয়েছে।

অন্যদিকে স্ব উদ্যোগে শহরের বেশ কয়েকটি হোটেল রেস্তোঁরা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি বন্ধ করাও হয়েছে। তবে, অতি মুনাফালোভী কয়েকজন তাদের হোটেল রেস্তোঁরা এখনও খোলা রেখেছে। ফুটপাতে খোলা রয়েছে বিভিন্ন চায়ের দোকান। মূলত এসব দোকানের কারণেই নানা পেশা শ্রেণি মানুষের ভিড় ছিল লক্ষণীয়।

সচেতন মহল বলছেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে জনসচেতনতার বিকল্প নেই। কেননা, ভাইরাসটি ছোঁয়াচে। তাই সব ধরণের সামাজিক দূরত্ব নিশ্চত করতে হবে এর বিস্তার রোধে। যেহেতু সাধারণ মানুষ এখনও এর ভয়াবহতা অনুধাবন করতে পারছে না, তাই তাদের বিরুদ্ধে কঠোর হওয়া উচিৎ প্রশাসনের। তা না হলে এই ভাইরাসটি বিস্তার রোধ করা অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে যাবে। ঝুঁকির মুখে পড়বে সকল জনজীবন।

২৫ মার্চ, ২০২০/এসপি/এনটি

উপরে