NarayanganjToday

শিরোনাম

শহরের ডাস্টবিনে ফেলে যাওয়া মরা মুরগী উঠছে আপনার খাবার পাতে!


শহরের ডাস্টবিনে ফেলে যাওয়া মরা মুরগী উঠছে আপনার খাবার পাতে!

রাতে ডাস্টবিনে ফেলে যাওয়া মরা মুরগী দিনের আলোতে চলে যাচ্ছে আপনার খাবার পাতে! অবাক হচ্ছেন? একদমই অবাক হবেন না। এটাই সত্য। আর এই সত্য কথাটি খোদ নিজ মুখেই স্বীকার করেছেন ডাস্টবিন থেকে কুড়িয়ে হোটেল মালিকদের কাছে বিক্রি করা তনু দাস।

সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরের দিকে শহরের চাষাড়া প্রেসিডেন্ট রোডে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে আটক হয় তনু দাস।

আটকের পর তনু দাস নিজের মুখেই মরা মুরগি বিভিন্ন হোটেলে সরবরাহ করার কথা নিজ মুখেই গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে স্বীকার করেন। এসময় ভ্রাম্যমান আদালত আটক তনু দাসকে ১ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন। পাশাপাশি একই এলাকার মক্কা-মদিনা নামে একটি স্টোরকে ২০ হাজার ও হোটেলকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

ভ্রাম্যমান আদালতের যৌথভাবে নেতৃত্বে দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুমানা আক্তার ও আজিজুর রহমান। তবে, অভিযানকালে তনু দাসের সহযোগি জব্বার পালিয়ে গেছে।

আটক তনু দাস পেশায় একজন ডোম। সে আটকের পর গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে বলেন, ডাস্টবিন থেকে মরা মুরগী কুড়িয়ে এনে প্রেসিডেন্ট রোড ও চাষাড়া হকার্স মার্কেটের কয়েকটি খাবার হোটলকে সে ও তার সহযোগি জব্বার সরবরাহ করতেন। বিনিময়ে তারা ৫শ থেকে ৬শ টাকা করে পেতেন। এভাবেই তারা দীর্ঘদিন ধরে মরা মুরগী সরবারহ করে আসছিলেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুমানা আক্তার জানিয়েছেন, মরা মুরগি দোকানে দোকানে সরবরাহ করার অপরাধে তনু দাসকে আটক করা হয়। ভ্রাম্যমান আদালতে তার দোষ সাব্যস্ত হওয়ায় তাকে এক বছরের কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে। এলাকার মক্কা-মদিনা নামে একটি স্টোরকে ২০ হাজার ও হোটেলকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

৩০ ডিসেম্বর, ২০১৯/এসপি/এনটি

উপরে